এমন প্রত্যাবর্তন ক'জনের হয়?
২ বছর আবারও উইন্ডিজের জার্সিটা গায়ে চড়িয়েছেন আন্দ্রে রাসেল, ফিরেই করেছেন বাজিমাত। ৩ উইকেট নিয়েছেন ১৯ রান খরচায়, ক্যারিয়ারসেরা বোলিং ফিগারের দেখা পেয়েছেন; এরপর ব্যাটিংয়েও দেখিয়েছেন জাদু। তার জাদুতে ভর করে উইন্ডিজ ৪ উইকেটে হারিয়েছে ইংল্যান্ডকে, তিনি নিজে জিতেছেন ম্যাচসেরার পুরস্কার।
ম্যাচের পুরোটাই রাসেল-ময়। ফিল সল্ট আর জস বাটলার মিলে ইংলিশদের শুরুটা এনে দিয়েছিলেন দারুণ। পাওয়ারপ্লেতেই তুলে ফেলেছিল ৭৭ রান।
এরপর বল হাতে তুলে নিলেন রাসেল, খেলাটা বদলে গেল তখনই। বিধ্বংসী ফিল সল্টকে ফেরালেন। পরের ১৩.৩ ওভারে ইংলিশরা তুলতে পারল আর মাত্র ৯৪ রান, উইকেট খোয়াল ১০ উইকেটের সবকটি। সল্টের পর রাসেল লিয়াম লিভিংস্টোন আর রেহান আহমেদের উইকেটও। রাসেল ইনিংসটা শেষ করলেন ক্যারিয়ারসেরা বোলিং বিশ্লেষণ নিয়ে।
এরপর ব্যাটিংয়ে যখন নামছেন রাসেল, তখন দলের প্রয়োজন ৩২ বলে ৪৯ রান। রভম্যান পাওয়েল ছিলেন অপর প্রান্তে, তাকে সঙ্গে নিয়ে অবিচ্ছিন্ন ৪৯ রানের জুটি গড়লেন মাত্র ২১ বলে। নিজে খেললেন ১৪ বলে ২৯ রানের ইনিংস। তাতেই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে ধরাশায়ী করে ফেলে সাবেক বিশ্বজয়ী উইন্ডিজ।
ফিরেই এভাবে নায়ক বনে যাবেন রাসেল, এমন কেউ না ভাবলেও রাসেল ঠিকই ভেবে রেখেছিলেন। উইন্ডিজ দলের ডাক পেয়েই নাকি তিনি মনে মনে বুনে রেখেছিলেন ম্যাচসেরা হওয়ার স্বপ্ন!
তিনি বলেন, ‘জীবনটা আসেই খুবই মজার। দুই সপ্তাহ আগে যখন আমাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে নির্বাচিত করা হয় তখন থেকেই আমি রোমাঞ্চিত। আমি তখনই ম্যান অফ দ্য ম্যাচ হওয়ার স্বপ্ন দেখছিলাম।’
এমন স্বপ্ন দেখলেই না আন্দ্রে রাসেল হওয়া যায়! স্বপ্ন দেখলেই তো এমন রাজসিক প্রত্যাবর্তন মেলে!