তামিম যে অবস্থা থেকে ফিরে এসেছে, সেটা অলৌকিক: আকরাম খান
বাংলাদেশ কিংবদন্তি ক্রিকেটার তামিম ইকবাল জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণ থেকে ফিরে এসেছেন। দুই দফা হার্ট অ্যাটাকের পর তার হার্টে ব্লক ধরা পড়লে রিং পরানো হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, ৭২ ঘণ্টা তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে এবং তিন মাসের চিকিৎসা পর্যালোচনার মধ্যে থাকবেন।
তামিমের অসুস্থতার খবর শুনে বিসিবি পরিচালক ও তার চাচা ক্রিকেটার আকরাম খান ভীষণ ভেঙে পড়েছিলেন। আজ বুধবার গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘যখন খবরটা পেলাম, তখন আমাকে বলা হয়েছিল যে তামিম আর নেই। আমি বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না। এত অল্প বয়সে এমন কিছু হতে পারে, তা কল্পনাও করিনি। পরে ডাক্তাররা জানালেন রিং পরানো হবে, তখন কিছুটা স্বস্তি পাই।’
তামিমের পরিবার তার সুস্থতার জন্য বিদেশে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। আকরাম খান বলেন, ‘তামিম যে অবস্থা থেকে ফিরে এসেছে, এটা আপনাদের দোয়া ছাড়া সম্ভব ছিল না। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এমন ক্ষেত্রে ফিরে আসার সম্ভাবনা খুব কম থাকে। আমরা চাই যত দ্রুত সম্ভব তাকে বিদেশে নিয়ে যাবো, যেন ভবিষ্যতে কোনো ঝুঁকি না থাকে।’
গত সোমবার ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) মোহামেডানের হয়ে ম্যাচ খেলার সময় হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করেন তামিম। এরপর দ্রুত সাভারের কেপিজে স্পেশালাইজড হাসপাতালে নেওয়া হলে জানা যায়, তিনি দুটি হার্ট অ্যাটাকের শিকার হয়েছেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় এবং তার হার্টে রিং পরানো হয়।
তামিমের বিপিএল দল ফরচুন বরিশালের কর্ণধার মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে থাইল্যান্ড নেওয়ার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, ‘থাইল্যান্ডের ভিসার জন্য চেষ্টা চলছে। চিকিৎসকের অনুমতি পেলেই আমি নিজে তামিমের সঙ্গে যাবো।’
বর্তমানে তামিম ইকবাল কথা বলতে পারছেন, হাঁটাচলা করছেন, তবে তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। চিকিৎসকরা আশাবাদী, তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন। তবে তিন মাস তাকে বিশেষ নজরদারিতে রাখা হবে।