হামজার পথ ধরে আরও অনেকেই খেলবেন বাংলাদেশের হয়ে
বাংলাদেশ ফুটবলে শুরু হয়েছে নবজাগরণ। হামজা চৌধুরীর হাত ধরে যেন আবারও জীবন ফিরে পেয়েছে দেশের ফুটবল। তবে হামজাই প্রথম নয়। ২০১৩ সালে বাংলাদেশ জাতীয় দলে অভিষেক হয় ডেনমার্কে জন্ম নেওয়া বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বর্তমান অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার। এরপর ফিনল্যান্ড থেকে আসেন তারিক কাজী।
জামাল-তারিকের আগমনে দেশের ফুটবল সমর্থকদের মাঝেও তৈরি হয়েছিল উচ্ছ্বাস। তবে সর্বশেষ ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলা হামজার আগমন ছাপিয়ে গেছে অতীতের সকল উচ্ছ্বাসকেই। বাংলাদেশের হয়ে অভিষেক ম্যাচেই হামজা দেখিয়েছেন নিজের সামর্থ্য। রাতারাতি জায়গা করে নিয়েছেন দেশের মানুষের মনে।
হামজার মত এত বড় একজন ফুটবলারের আগমন পথ খুলে দিতে পারে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রবাসী ফুটবলাদের। এর আগে অনেকেই অবশ্য দেশের হয়ে খেলার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। বাফুফে সহসভাপতি ফাহাদ করিম জানিয়েছেন বাংলাদেশের হয়ে খেলতে ১৩ টি দেশে বসবাস করা ৩২ জন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফুটবলার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। যাদের মাঝে ১২ জনই ইংল্যান্ডের।
এসব ফুটবলাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন ইংল্যান্ডের করিম হাসান স্মিথ, আশিকুর রহমান, ইলমান মতিন, হারুন সালাহ, কানাডার নাবিদ আহমেদ ও যুক্তরাষ্ট্রের আমির সামি। এছাড়া বয়সভিত্তিক দলের জন্য আলোচনায় আছেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই যমজ ভাই রোনান সুলিভান ও ডেকলান সুলিভান।
তবে বাফুফে সহসভাপতি জানিয়েছেন এদের সকলতেই ট্রায়ালের মধ্যে দিয়ে দলে আসতে হবে। নিজেদের যোগ্যতা অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে তারা কোথায় খেলবেন। তবে কানাডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব কালাভরি এফসির মিডফিল্ডার সামিত সোমকে জাতীয় দলে নেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহী বাফুফে। সামিত কানাডার অনূর্ধ্ব-২০ দলের হয়ে ৭টি ও ২০১৮ সালে অনূর্ধ্ব-২১ দলের হয়ে খেলেছেন ৪টি ম্যাচ। ২০২০ সালে কানাডার জাতীয় দলের জার্সিতে খেলেন দুটি ম্যাচ।
এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে তাদের মাঠে গোলশূন্য ড্র করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচ ঢাকায় সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ১০ জুন।